রবিবার, ১৯ মে ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ



                    চাইলে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

বড়লেখায় রাজমিস্ত্রী হত্যা : আরও ৪ জন গ্রেপ্তার



বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় রাজমিস্ত্রী রিয়াজ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাসুদ পারভেজ তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছেন। হত্যাকান্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেছে আদালতে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন-ব্রাক্ষ্মবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার মো. হুমায়ুন, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার মো. আলমগীর মিয়া, মো. শাহ আলী ও মো. আসাবুল। তারা সবাই বড়লেখায় বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে ভাঙ্গারি ব্যবসা করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) রাজমিস্ত্রী রিয়াজ উদ্দিন হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে র‌্যাব-১ এর সহযোগিতায় ঢাকার তুরাগ এলাকা থেকে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সিরাজুল ইসলাম ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে পুলিশ শুক্রবার রাতে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ দোহালিয়া গ্রামের মৃত ফরিদ আলীর ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩০) রাজমিস্ত্রীর কাজসহ দিনমজুরীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভাঙ্গারীর দোকানে বস্তা উঠানোর কাজ আছে বলে রতুলী বাজারের উদ্দেশ্যে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। পরদিন বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় কৃষকরা মাধবছড়ার পশ্চিমে ধানক্ষেতে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে রিয়াজ উদ্দিনের মা কনাবি বেগম ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের লাশ শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা কনাবি বিবি। এরপরই থানা পুলিশ ক্লুলেস হত্যাকান্ডের মূল রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে। হত্যাকান্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাবের সহায়তায় ঢাকা থেকে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়ারদৌস হাসান বলেন, র‌্যাব-১ এর সহযোগিতায় ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা থেকে এই হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে শুক্রবার রাতে আরও চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হয়। ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আদালতে আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।