মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ



                    চাইলে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমানের জানাযার নামাজে মানুষের ঢল
ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট



বিজ্ঞাপন

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক, লেখক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মোফাসসিরে কুরআন, বাংলাদেশে ইসলামী রাজনৈতিক আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহী কাজীরবাজার মাদরাসার প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবিবুর রহমানের জানাযার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।

১৯ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত মরহুমের জানাযার নামাজে ইমামতি করেন তাঁর দ্বিতীয় ছেলে মাওলানা ইউসুফ।

প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমানের জানাযা উপলক্ষে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জানাজায় সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। নামাজের পূর্বে মরহুমের জীবনী নিয়ে দেশ বরেণ্যে রাজনীতিবিদ, আলেম-উলামারা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান ছিলেন একজন সংগ্রামী আলেমে দ্বীন ও বহুগুণে গুণান্বিত শ্রদ্ধাভাজন মানুষ। দ্বীনি শিক্ষার প্রচার-প্রসার ও বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তার অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে ইসলামি রাজনৈতিক অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি হলো।

বক্তারা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বরেণ্য এই আলেমে দ্বীনের মৃত্যুতে সিলেট অঞ্চলে হাজার হাজার শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

উল্লেখ্য, প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবিবুর রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টায় সিলেট নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।  মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

হাবিবুর রহমান ১৯৪৫ সালে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের ঘনশ্যাম গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি দীর্ঘদিন থেকেই হার্টের সমস্যা ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। ভারত থেকে তিনি চিকিৎসা নিয়ে গত মঙ্গলবার দেশে ফেরেন। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় বুধবার থেকে তিনি যথারীতি মাদরাসায়ও আসা-যাওয়া শুরু করেন।

বিভিন্ন বিষয়ে তিনি প্রায় ২০টির মতো বই রচনা করেছেন। তিনি শায়খুল আরব ওয়াল আজম হোসাইন আহমদ মাদানি (রহ.)-এর অন্যতম খলিফা আল্লামা আব্দুল জলিল বদরপুরী (র.) শিষ্য ছিলেন।

প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমানকে তার প্রিয় কর্মস্থল কাজীরবাজার মাদরাসা সংলগ্ন স্থানে দাফন করা হবে।