জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩২৭-এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড মাঠপর্যায়ে সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যারিস্টার চৌধুরীর নির্দেশনায় কাজ করছেন তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী দেওয়ান উসামা।
জানা গেছে, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার দীর্ঘদিনের দাবি ও স্থানীয় প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশেষ অনুদান প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী। এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়, তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কাগজপত্র প্রস্তুতের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন দেওয়ান উসামা।
প্রস্তাবিত বরাদ্দ অনুযায়ী, বড়লেখা উপজেলায় কবিখা-কাবিটা খাতে ১৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ৬ মেট্রিক টন চাল, ৭ মেট্রিক টন গম এবং টিআর (নগদ) খাতে ২৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে জুড়ী উপজেলার জন্য কবিখা-কাবিটা খাতে ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ৪ মেট্রিক টন চাল, ৫ মেট্রিক টন গম এবং টিআর (নগদ) খাতে ১৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।
এই বরাদ্দের মাধ্যমে গ্রামীণ রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, শ্মশানঘাট, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। প্রকল্পগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষরসহ চূড়ান্ত অনুমোদন গ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মুজিব রাজা চৌধুরী ও যুবদল নেতা কামরুল ইসলাম।
এ বিষয়ে দেওয়ান উসামা বলেন, ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর নির্দেশনায় বড়লেখা ও জুড়ীর উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, জনগণের কল্যাণ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে আমরা দায়বদ্ধ। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই এসব উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তব প্রতিফলন জনগণ দেখতে পাবেন এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনসেবামূলক অবকাঠামোর আরও উন্নয়ন সাধিত হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি




