শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ



Sex Cams

                    চাইলে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

বড়লেখায় কালবৈশাখীর ছোবল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সড়কে গাছ পড়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন



বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বড়লেখায় শনিবার দুপুরে প্রবল বেগে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। এসময় বিভিন্ন সড়কে, বিদ্যুৎ লাইনে ও ঘরবাড়ির ওপর ভেঙ্গে পড়েছে ব্যাপক গাছপালা। কুলাউড়া-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সড়কে ওপর উপড়ে পড়ে বড়বড় গাছ। রতুলি-কাঠালতলী সড়কের মধ্যবর্তী স্থানে রাস্তার ওপর গাছ পড়ায় উভয় পাশে আটকা পড়ে সহ¯্রাধিক যানবাহন। প্রায় একঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে সড়কের গাছ অপসারণ করেছে দমকল বাহিনীর লোকজন।

সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে হাজার হাজার গাছপালা বিভিন্ন বাড়িঘরে, রাস্তায় ও বিদ্যুৎলাইনের ওপর পড়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে অনেকের বাড়িঘর। লন্ডভন্ড হয়ে গেছে বিদ্যুৎ লাইন। দুপুর একটার দিকে প্রবল বেগে এই ঘূর্নিঝড় বয়ে যায়। কুলাউড়া-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের রতুলি বাজারের উত্তর পার্শের রাস্তায় বেশ কয়েকটি বড়বড় মেহেঘনি ও আকাশমনি গাছ সড়কের ওপর পড়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এসময় সড়কের উভয় পার্শে সহ¯্রাধিক যানবাহনের জটলা লাগে। এতে প্রায় দেড়ঘন্টা যানচলাচল বন্ধ থাকে। প্রায় একঘন্টা চেষ্ঠা চালিয়ে বড়লেখা ফায়ার স্টেশনের দমকল বাহিনী ঝড়ে উপড়েপড়া গাছগুলো অপসারণ করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের গ্রামীণ রাস্তায় ও বিদ্যুৎ লাইনের ওপর অসংখ্য গাছ ওপড়ে পড়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শনিবার বিকেল পাঁচটায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর, দক্ষিণ শাহবাজপুর, দক্ষিণভাগ দক্ষিণ, দক্ষিণভাগ উত্তর, তালিমপুর ও বড়লেখা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তিন শতাধিক বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, এ মৌসুমের সবচেয়ে বড় ঘূর্নিঝড় শনিবার দুপুরে বয়ে গেছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি খবর পাচ্ছেন। ইউপি চেয়ারম্যানগণকে দ্রুত তালিকা তৈরী করে অফিসে প্রেরনের জন্য বলে দিয়েছেন।

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেলারেল ম্যানেজার খায়রুল বাকী খান জানান, বড়লেখায় বিভিন্ন জায়গায় লাইনের ওপর গাছ পড়েছে, তার ছিড়ে গেছে। কয়েকটি খুঁটিও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে । গাছ অপসারণ করে লাইন মেরামতের কাজ চলছে। রাতের মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।