বুধবার, ২৯ জুন ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে জুড়ীর তিন শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব



বিজ্ঞাপন

জুড়ী প্রতিনিধি:: জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২২ এর সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় মৌলভীবাজার জেলা থেকে অংশ নিয়ে জুড়ীর তিন শিক্ষার্থী প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে বিজয়ী হয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

তন্মধ্যে শ্রেষ্ট শিক্ষার্থী (বিদ্যালয়) নির্বাচিত হয়েছেন জুড়ী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শাহ আহমেদ জুবায়ের, শ্রেষ্ট স্কাউট নির্বাচিত হয়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের অমিষা দাস সৃষ্টি।

এছাড়া সহপাঠক্রম ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বাংলা কবিতা আবৃত্তি, খ গ্রুপ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন জুড়ীর মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমিনাতুজ সাদিকা।

কলেজ শিক্ষক দম্পতি মো: আলা উদ্দিন ও নাসরিন পপির পুত্র শাহ আহমেদ জুবায়ের এবং সরকারি কর্মচারী অমলেন্দু দাস ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌরী রানী দাস দম্পতির মেয়ে অমিষা দাস সৃষ্টি জুড়ী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি (বিজ্ঞান শাখা) পরীক্ষার্থী।

তারা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় জিপিএ-৫ সহ সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেন। অমিষা দাস সৃষ্টি ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্কাউট-এর সর্বোচ্চ পদক ‘রাষ্ট্রপতি পদক’ অর্জন করেছেন।

মাদ্রাসা শিক্ষক মরহুম হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদির ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিল্পী বেগম-এর মেয়ে আমিনাতুজ সাদিকা জুড়ীর মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির (বিজ্ঞান শাখা) শিক্ষার্থী। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় জিপিএ-৫ সহ সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় তার সাফল্য রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে ৩৪টি সনদ অর্জন করে সাফল্যের ঝূঁড়ি ভরপুর করেছে সে।

এক প্রতিক্রিয়ায় শাহ আহমেদ জুবায়ের, অমিষা দাস সৃষ্টি ও আমেনাতুজ সাদেকা তাদের এ সাফল্যের জন্য নিজের পরিবার ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সর্বোচ্চ সফলতার জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।

সবার দোয়া চেয়ে জুড়ী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিতাংশু শেখর দাস ও মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসহাক আলী বলেন, এ তিন শিক্ষার্থী দেশ সেরার মুকুট পরবে বলে আমরা আশাবাদী।