বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ



Sex Cams

                    চাইলে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

ছাত্রলীগ নেতার ওপর নৃশংস হামলা



বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শরিফ আহমদ নামে এক ছাত্রলীগ নেতার ওপর নৃশংস হামলা করেছে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা। গত ৮ আগস্ট সন্ধ্যায় বড়লেখা সদর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় শরিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত শরিফ আহমদ বড়লেখা সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ কে এম হেলাল উদ্দিনের ভাতিজা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর করেছে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এর ধারাবাহিকতায় ৭ আগস্ট শরিফ আহমদের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। এতে তার পরিবারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ৮ আগস্ট সন্ধ্যায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার সময় বড়লেখা সদর ইউনিয়ন এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা শরিফের পথরোধ করে। পরে তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তার পায়ের গোড়ালির রগ কেটে হত্যার চেষ্টা চালায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে এক পথচারী তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটের একটি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

শরিফের স্বজনদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা জানান, আগের দিন বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের পর তারা আতঙ্কে ছিলেন এবং পরদিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে শরিফের ওপর এই হামলা চালানো হয়। তারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বড়লেখা থানার ওসিসহ সকল পুলিশ আত্মগোপনে রয়েছে। ফলে ওই ঘটনার বিষয়ে জানতে বড়লেখা থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।