বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ



Sex Cams

                    চাইলে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

বড়লেখায় ইলেক্ট্রিশিয়ানের আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা : পলি ক্লিনিকের স্টাফ নার্স কারাগারে



বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ইলেক্ট্রিশিয়ান ইলিয়াছ হোসাইনের (৩৮) আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বড়লেখা পলি ক্লিনিকের স্টাফ নার্স লাক্সমি রংডিকে (২৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। লাক্সমি রংডি কুলাউড়া উপজেলার সাহেবটিলা এলাকার ফরিদ সাংমার মেয়ে। তিনি প্রায় আড়াই বছর ধরে বড়লেখা পলি ক্লিনিকে স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নিহত ইলিয়াছ হোসাইন বড়লেখা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুড়িরগুল এলাকার মো. ইউসুফ আলীর ছেলে। গত ১১ আগস্ট রাতে নিজ শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে নিহতের বাবা মো. ইউসুফ আলী বাদী হয়ে লাক্সমি রংডিকে আসামি করে বড়লেখা থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় ১২ আগস্ট পুলিশ লাক্সমিকে গ্রেপ্তার করে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক ইলিয়াছ হোসাইন বড়লেখা পলি ক্লিনিকে ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাজ করার সুবাদে স্টাফ নার্স লাক্সমি রংডির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার দিনে বিয়ের জন্য তারা দুইজন অজ্ঞাত স্থানে যাওয়ার কথা ছিল। বেশ কিছুদিন ধরে ইলিয়াছকে বিয়ে করার জন্য লাক্সমি রংডি পলি ক্লিনিক থেকে অব্যাহতি চাচ্ছিলেন। তবে ক্লিনিকের মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীর আহমদ তাকে অব্যাহতি দেননি। এ বিষয়টি নিয়ে লাক্সমি ও ইলিয়াছের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।

বড়লেখা থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ইলেক্ট্রিশিয়ান ইলিয়াছ হোসাইনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তার বাবা পলি ক্লিনিকের নার্স লাক্সমি রংডিকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বড়লেখা পলি ক্লিনিকে গিয়ে মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীর আহমদকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও রিং হওয়ার পর তিনি কলটি কেটে দেন। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।