রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ



                    চাইলে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

বড়লেখায় বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
আশ্রয়কেন্দ্রে শতাধিক পরিবারে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আশ্রয়কেন্দ্রে শতাধিক পরিবারে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ



বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে তিনি বন্যা দুর্গত সুজানগর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখেন।

এসময় আজিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ১০৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। প্রত্যেক পরিবারকে চাল, চিড়া, চিনি, মুড়ি, বিস্কিট, মোমবাতি, দিয়াশলাই ও খাবার স্যালাইন দেওয়া হয়।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেষে জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম সাংবাদিকদের বলেন,বড়লেখার বিভিন্ন এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। আমরা দুর্গত কিছু এলাকা ঘুরে দেখেছি। যারা পানিবন্দি আছে, আশ্রয়কেন্দ্রে আছে, তাদের আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করছি। তাদেরকে শুকনো খাবার দেওয়া হচ্ছে। অনেক জায়গায় রান্না করে খাবার দেওয়া হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারীভাবে তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খাবার স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। এগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণ আছে। প্রত্যেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে আমরা এগুলো দিচ্ছি। পানিবন্দি যারা আছে, তাদের জন্য আমরা চালের ব্যবস্থা করেছি। পর্যায়ক্রমে তাদের চালগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনা আক্তার, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজরাতুন নাঈম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসলাম সারোয়ার, পিআইও (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান, সুজানরগর ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল ইসলাম প্রমুখ।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন বড়লেখায় ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে পানি উঠেছে। এতে প্রায় লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঘরে ঠিকতে না পেরে অনেকে আশ্রয় কেন্দ্রে ছুটছেন। এছাড়া বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ রাস্তা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজরাতুন নাঈম জানিয়েছেন, নতুন আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপজেলায় মোট ৩২টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৪৫০ টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। প্রশাসন সার্বক্ষণিক পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর রাখছে।