শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



বড়লেখায় বিএনপির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতির নিন্দা
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক



বিজ্ঞাপন

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিনা ভোটের অবৈধ সরকার বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে বিরতিহীনভাবে হয়রানী করে চলেছে। আর সেটির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়বাদী স্বেচ্ছাসেবক দল বড়লেখা উপজেলা শাখার নেতা রায়হান মুজিব ও আব্দুল মালিকসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশের সার্বিক অবস্থায় এটি একটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে, এই অবৈধ সরকার কোনোভাবে বিরুধী মত সহ্য করবে না। তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংসের মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থার চিরস্থায়ী করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।’

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘মৌলভীবাজার জেলাসহ সারাদেশে প্রতিদিন যেভাবে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হীন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থের মামলা দায়েরের মাধ্যমে গ্রেফতার বাণিজ্য, গুম ও গণগ্রেফতার চালানো হচ্ছে- তা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি। দমন-নিপীড়ন, হামলা, মামলার পথ অনুসরণ করে সরকার যেভাবে দেশের মানুষকে, গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করে ফেলেছেন-তাতে দেশ এক নৈারজ্যকর অবস্থায় পতিত হয়েছে। আমি অবিলম্বে-দেশমাতা বিএনপির চেয়ারপার্সন, সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, বড়লেখা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’

প্রসঙ্গত, গত ১ সেপ্টেম্বর বড়লেখা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অ্যাসল্ট মামলা করে পুলিশ। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরীফ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা এ (নম্বর-০৪) করেন।

মামলায় উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস স্বপন, পৌর বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খোকন, উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির পলাশ, পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সদস্য ইকবাল হোসেন, বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক লোকমান হোসেন বায়েছ, পৌর বিএনপির অর্থ বিষয় সম্পাদক মো. সফিকুজ্জামান, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. রায়হান মুজিব ও আব্দুল মালিক, উপজেলা ছাত্রদল নেতা জাহিদুল ইসলাম মতিন ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শিপার আহমদের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়।