শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



সুনামগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট



বিজ্ঞাপন

সুনামগঞ্জ শহরের পশ্চিমবাজারে একটি দোকান, গোদামঘর এবং তিনটি বাসার মালামাল ও আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। এতে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুঞ্জয় রায় মিঠুর ভূষি মালের দোকানসহ ক্ষিতেশ রায়, রাজু রায় ও পুলক রায়ের বাসার সকল মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

আগুন নেভাতে দমকলবাহিনী আসলেও যথাযথ দায়িত্ব পালন করেনি বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসের লিডার জগদীশ দেবনাথ জানান, জলাশয় থেকে পানি উত্তোলনের পাম্প চালু করার পর বার বার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা একাধিকবার পানি উত্তোলন করতে চেষ্টা করি। পরে নতুন পাম্পের সাহায্যে পানি উত্তোলন করে আগুন নেভানো হয়। আগুন নেভাতে আমাদের পক্ষ থেকে দায়িত্বে অবহেলা ছিল না। যান্ত্রিক ত্রুটি থাকতে পারে।’

আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের মালিক মৃত্যুঞ্জয় রায় মিঠু, রুমি রায় এবং প্রত্যক্ষদর্শী সম্ভু রায় জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাত অনুমান ৪টায় দোকানের কর্মচারীরা হঠাৎ দেখতে পায় দোকানে আগুন লেগে গেছে। কর্মচারীদের অনুমান দোকানে থাকা ভোজ্য তেলের ড্রামে আগুন লেগেছে।

তবে তারা আরও জানান, বিদ্যুতের সর্টসার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে। আগুনে ভূষিমালের পুরো দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দোকানঘর পুড়ে যাওয়ার পর পাশের গোদাম ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। গোদামঘর থেকে পর্যায়ক্রমে এলাকার ৩টি বাসায় আগুন লেগে যায়। দোকানে আগুন লাগার পরপরই ফোনে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। কিন্তু ১৫ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের মালিক মৃত্যুঞ্জয় রায় মিঠু বলেন,‘আমার ভূষিমালের দোকানে প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। এছাড়া আগুনে আমাদের পাশের ক্ষিতেশ রায়, রাজু রায় ও পুলক রায়ের বাসার সকল মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমাদের দোকানের মালামাল ও বাসার আসবাবপত্রসহ প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও বাসার মালিকদের সাথে কথা বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র আইনজীবীগণ, পৌর মেয়র, ব্যবসায়ী সমিতি, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, জেলা শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী পরিষদের নেতৃবৃন্দ।