বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ না দেয়ায় যুবকের ভিসা বাতিলের অভিযোগ



বিজ্ঞাপন

লাতু ডেস্ক:: সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে না পারায় লন্ডনগামী এক ভিজিটর যাত্রীর ভিসা বাতিল করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাসান নামে ওসমানী বিমানবন্দরের এক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীর নাম মোহাম্মদ ইয়াহদি সারওয়ার লিমন। তিনি আর যুক্তরাজ্যে আসতে পারেননি। তাঁর লন্ডন ভ্রমণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ভিসা বাতিল হওয়ার কারণে তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন। লিমন জগন্নাথপুর উপজেলা-সদরের ইকরছই গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, মোহাম্মদ ইয়াহদি সারওয়ার লিমনকে ভিজিট ভিসার জন্য স্পনসর পাঠান যুক্তরাজ্যের বাকিংহ্যামশায়ারের হাই-উইকামের বাসিন্দা তাঁর ভাতিজি তানিয়া সীমা মিয়া। তিনি (লিমন) সিলেট ভিএফএস অফিসে (ভিসা সেন্টার) স্পনসরশীপের কাগজপত্র জমা দিয়ে যথা-নিয়মে ৬ মাসের মালটিপল ভিসা পান। এরপর যথারীতি গত ২৩ অক্টোবর রোববার লন্ডনের উদ্দেশ্যে ফ্লাই করতে পাসপোর্ট, বিমান-টিকিট ও লাগেজসহ সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন।

বিমানের বোর্ডিং কার্ড নিয়ে ইমিগ্রেশন সেকশনে গেলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা হাসান তাঁর পাসপোর্টটি হাতে নিয়েই বলেন, ‘এই ভিসা জাল। তিনি প্রশ্ন করেন, আপনি কি কন্ট্রাক্টে (দালালের সাথে চুক্তি করে) লন্ডন যাচ্ছেন?’ তখন লিমন দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বুঝাতে চান তিনি কারো সাথে কন্ট্রাক্ট করে ভিসা পাননি। তার ভিসা তিনি স্পনসরশীপ জমা দিয়ে ভিসা সেন্টার থেকে তুলেছেন। তিনি তার দাবীর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও প্রদর্শন করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা কিছুতেই তা মানতে রাজি হননি। তিনি তাকে একপাশে বসিয়ে রাখেন। এরপর তার মোবাইল ফোনে অন্য একজন কর্মকর্তা কল করেন, যিনি বৃটিশ হাইকমিশন থেকে কথা বলছেন বলে জানান। তিনি তার ভিসার সত্যতা নিরূপন করতে অনেক প্রশ্ন করেন। তাঁর স্পনসরের নাম, যুক্তরাজ্যের ঠিকানাসহ নানা তথ্য জানতে চান। এরপর তার (লিমনের) বাড়ির ঠিকানা, দাদা ও দাদার বাবার নাম জানতে চান। তিনি সবগুলো প্রশ্নের উত্তর যথাযথভাবে দেন। কিন্তু ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আপনি যেতে পারবেন না।’

এরপর তিনি নিরুপায় হয়ে যখন সেখানে বসে আছেন; তখন ইমিগ্রেশন বিভাগেরই একজন লোক তার কাছে আসেন। তিনি কানে কানে বলেন, ‘আপনি বসে আছেন কেন? ১৫ হাজার টাকা দিয়ে দেন, তাহলে আপনাকে ছেড়ে দেয়া হবে।’ কিন্তু তিনি বলেন, এই মুহুর্তে আমি ১৫ হাজার টাকা কোথা থেকে ব্যবস্থা করবো।

এদিকে ফ্লাইট ছেড়ে দেয়ার সময় ঘনিয়ে আসায় তিনি ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা হাসানকে বারবার অনুরোধ করেন তাঁকে ছেড়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু হাসান কিছুতেই তাকে ছেড়ে দিতে রাজি হননি। এসময় অন্য একজন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা হাসানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘তার ভিসা ঠিক আছে। তাকে আপনি ছেড়ে দিন।’ তখন হাসান রেগে গিয়ে ওই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে বলেন, ‘আপনি কথা বলবেন না। আমি ভালো জানি।’ এরপর ফ্লাইট উড়ে যায়। কিন্তু লিমনকে আর যেতে দেওয়া হয়নি। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা হাসান তার পাসপোর্টের শেষ পেইজে একটি সাংকেতিক নাম্বার বসিয়ে দেন। যাতে এই পাসপোর্ট দিয়ে তিনি আর ভ্রমণ করতে না পারেন।

এরপর তিনি সেখান থেকে সিলেট ভিএফএস অফিসে (যেখান থেকে ভিসা নিয়েছিলেন) যান এবং এয়ারপোর্টের বিষয়টি বর্ণনা করেন। কিন্তু কর্মকর্তারা জানান, তারা শুধু ভিসা আবেদন প্রসেস করেন। এয়ারপোর্টে কাউকে আটকে দেয়ার ব্যাপারে তাদের করার কিছু নেই। তারা হোম অফিসের ওয়েবসাইট ভিজিট করে রিপোর্ট করার পরামর্শ দেন।

এরপর লিমন পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজির কাছে যান। ডিআইজি সবকিছু শুনে ওসমানী বিমানবন্দরের প্রধান ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যেহেতু ভিসা বাতিল হয়ে গেছে তাই এখন আর করার কিছু নেই। তবে এই ঘটনার কোনো তদন্ত হবে, কিংবা ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা হাসানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা সে ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি।

এদিকে যুক্তরাজ্যে লিমনের স্পনসরের আইনজীবী এ-জেড ল অ্যাসোসিয়েটস-এর ইমিগ্রেশন এডভাইজার ওয়াহিদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা লিমনের স্পনসরের পক্ষে ভিজিট ভিসার ডকুমেন্ট ও আবেদন প্রসেস করি। সিলেট ভিসা সেন্টার এই স্পনসরশীপের ওপর ভিত্তি করে ভিসা ইস্যু করেছে। সবকিছুই জেনুইন। বর্তমানে সবকিছুই ডিজিটাল। এখানে জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু জানিনা কী কারণে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা ভিসাটি বাতিল করে দিলেন। আমরা শুনেছি, ওই কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নাকি ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করা হয়েছিলো। তিনি দিতে পারেননি বলে ভিসা বাতিল করে দেয়া হয়েছে। সত্য মিথ্যা জানিনা। তবে ওসমানী বিনমানবন্দরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আমরা হামেশাই পেয়ে থাকি। আমাদের অনেক ক্লায়েন্ট ইতোপূর্বে অভিযোগ করেছেন। অনেক স্টুডেন্ট এয়ারপোর্টে আসার পর নানা অযাচিত প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন। ভিসায় সমস্যা আছে বলে ১০/১৫ হাজার টাকা দাবী করা হয়েছে। কেউ ঝামেলায় না গিয়ে টাকা দিয়ে চলে এসেছেন। কেউ টাকা না দেয়ায় ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। তিনি বলেন, এই যে লিমনের ভিসা বাতিল করা হলো। এতে তিনি আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখিন হলেন। এখন এই ক্ষতিপুরণ কে দেবে?

ভিসা বাতিল হওয়ায় এখন কি তিনি যুক্তরাজ্যে আসতে পারবেন না-এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াহিদ আলী বলেন, আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আসবেন। একটু সময় লাগবে। ভিসা বাতিল করে হয়রানীতে ফেলে দেয়া হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি হোম অফিস ও বাংলাদেশস্থ বৃটিশ হাইকমিশনের ভিসা সেকশনে রিপোর্ট করেছি। লিমনের স্পনসর তানিয়া সীমা মিয়া বাকিংহ্যামশায়ারে স্থানীয় এমপির কাছেও অভিযোগ করেছেন। এখন হোম অফিস একটি পারমিশন লেটার পাঠাবে। ওই পারমিশন লেটার পেলে লিমন চলে আসতে পারবেন।

এদিকে গত ২৭ অক্টোবর এ ঘটনার সংবাদ টু-এ নিউজ নামে লন্ডনভিত্তিক একটি অনলাইন টিভিতে প্রচার হয়। তাতে দেখা যায়, ২ নভেম্বর বুধবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনলাইন টিভির নিউজটি প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ দেখেছেন। এর মধ্যে ৬১৭ জন কমেন্ট করেছেন। এই কমেন্টগুলোতে যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা সিলেট বিমানবন্দরে তাদের সাথে ঘটে-যাওয়া ঘুষ বাণিজ্যের চিত্র তুলে ধরেছেন।

আমিনুর রাজ্জাক নামক একজন লিখেছেন, গত ২৮ অক্টোবর (২০২২) আমার ছোট ভাইয়ের সাথে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে এমন ঘটনা ঘটেছে। তার ফ্লাইট ছিল দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে। কিন্তু তাকে বসিয়ে রাখে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টা। শেষ পর্যন্ত টাকা নিয়ে দুপুর ১টা ৫মিনিটে তাঁকে যেতে দেয়। ১০ মিনিট চলে গেলে তার ফ্লাইট মিস হয়ে যেত।

রেবেকা আক্তার লিখেছেন, লিমনের সাথে সংঘটিত ঘটনা সত্যই হবে। এমন ঘটনা আমার মায়ের সাথেও ঘটেছে। তিনি ভিজিট ভিসা নিয়ে যখন সিলেট এয়ারপোর্টে আসেন তখন তারা ৫ হাজার টাকা আদায় করে। যখনই কোনো নতুন মানুষ এয়ারপোর্টে আসে তার কাছ থেকে উৎকোচ আদায় করে। এটা খুব বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে কিছু একটা করা উচিত।

আব্দুল আহাদ লিখেছেন, ২০১১ সালের জানুয়ারিতে আমার সাথে এমন হয়েছিল। আমি সিলেট থেকে ইংল্যান্ডে আসার সময় সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন অফিসার বলেন এই ফ্লাইটে তুমি যেতে পারবে না। তোমাকে ৩২০ পাউন্ড পাসপোর্টে এন্ড্রোজ করে সাথে নিয়ে যেতে হবে। যাই হোক, বিষয়টা সাথে সাথে আমি বুঝে ফেলি। এরপর কোনও কথা না বলে একটু সরে দাঁড়াই। আমার পিছনে আরো দুইজন যাত্রী ছিল। ওই দুজনের ইমিগ্রেশন শেষ হওয়ার পর আমি একটু এগিয়ে আস্তে আস্তে বললাম স্যার, এই মুহূর্তে আমি ৩২০ পাউন্ড ম্যানেজ করে নিয়ে যেতে হলে আমার ফ্লাইট মিস হয়ে যাবে, স্যার আমি যদি এই ৩২০ পাউন্ড এন্ড্রোজ করতে যে টাকা আসে সেটা আপনার কাছে দিয়ে দিই তাহলে হবে? অফিসার বললেন, তুমি বুদ্ধিমান ছেলে, হবে না কেন? আমার কাছে দিলে হবে, এরপর বললাম স্যার কত আসে, তিনি হিসাব করে বললেন ২২০০ টাকার মত। এরপর আমি বাংলাদেশী ৫০০ টাকা এবং সাথে ৫ পাউন্ড দিয়ে কাকুতি-মিনতি করার পর বললেন, কম হয়ে যায়। ওকে, ঠিক আছে। তুমি ছাত্র মানুষ। এরপর একটু খুশি হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন বাড়ি কোন থানায়? আমি বললাম জকিগঞ্জ থানায়। অফিসার বললেন আহারে জকিগঞ্জের মানুষ অনেক ভালো। যাও জীবনে সফল হও। এই হলো সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের অবস্থা।

আব্দুস সামাদ নামে আরেকজন লিখেছেন, এ রকম ঘটনা আমার এক বড় ভাইয়ের সাথেও ঘটেছে। পরে ১২ হাজার টাকা দেয়ার পর আসতে দিয়েছে। এই এয়ারপোর্টের বেশিরভাগ অফিসারই দুই নাম্বারের সাথে জড়িত। যথাযথ তদন্ত করে এদের বিচার করা হোক।

মুহাম্মদ মুজাফফর হোসাইন লিখেছেন, প্রায় ১৪ বছর আগে আমি যখন স্টুডেন্ট ভিসায় লন্ডন আসি তখন একজন অফিসার আমার কাছে এভাবেই চাঁদা দাবী করেছিলেন।

বাবুল চৌধুরী নামে একজন লিখেছেন, আমি ভিজিট ভিসায় দুবাই যাওয়ার সময় এমন ঘটনা ঘটেছে। আমাকে তারা বলে আমার নামে নাকি মামলা আছে। যেতে দেওয়া হবেনা। এখানে বসে থাকেন। হঠাৎ একজন লোক এসে ডাক দিয়ে খানিক আড়ালে নিয়ে বলেন ৪০০ ডলার দিয়ে দেন, আমি স্যারকে বলে সমাধান করে দেব। আমি বললাম ৫০০ টাকা দিবো। তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বলে, এখানে বসে থাকুন। ফ্লাইট হওয়ার পরে যাবেন। বসে রইলাম। ফোন করে বাসায় জানানোর পর আমার মামাতো বোনের জামাই পুলিশের এডিশনাল এসপি বিষয়টি জেনে সাথে সাথে আমাকে কল দিয়ে পুরো বিষয়টি জানতে চাইলেন। আমি তাঁকে বিস্তারিত বললে তিনি তাদের হাতে ফোনটা দিতে বললেন। আমি তাদের একজনের হাতে ফোন দিলাম। তিনি যখন কথা বলছিলেন, তখন ইমিগ্রেশন পুলিশকে বলতে শুনলাম, স্যার উনাকে বিমানে উঠিয়ে দিয়ে দিচ্ছি। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশ আমাকে বলে, আমাদেরকে না বলে স্যারকে কল দিয়েছেন কেন? আমাদেরকে বললেই তো হতো। এই এই হচ্ছে আমাদের দেশের অবস্থা।

আহমদ শাহিদ লিখেছেন, আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়েছে। সিসি ক্যামেরার বাইরে নিয়ে টাকা নিছে। টাকা না দিলে আসতে দিতোনা। আরেকজনের কাছে ঘুষ চাইছে ১৫ হাজার টাকা। উনি দেয়নি বলে তার পাসপোর্ট থানায় দিয়ে দেয়। ১মাস ভোগান্তির পর পাসপোর্ট পাইছে। শুধু সিলেট টু লন্ডন নয়, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা যেখানেই ভিজিট বা ওয়ার্ক পারমিটে যাবেন সবার সাথে এয়ারপোর্টে এমন ব্যবহার করা হয়।

মঞ্জুরুল আলম নামে একজন লিখেছেন, ইমিগ্রেশনের এই দুর্নীতিবাজ অফিসারদের কীর্তিকলাপ গত বিশ-পঁচিশ বছরের। আজ পর্যন্ত একজন অফিসারেরও সাজা হয়নি। লক্ষ লক্ষ লোকের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা এই কর্মকর্তা নামক লুটেরার দল লুট করে মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলছে। কর্তৃপক্ষ শুধু দরখাস্ত উপর থেকে নিচের দিকে পাঠায়। কিন্তু কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। সম্ভবত টপ-টু-বটম এই চক্রের জাল বিস্তৃত।

আলমগীর হোসাইন নামে আরো একজন লিখেন, ওই অফিসারের (হাসান) ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা হওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, এ ব্যাপারে ওসমানী এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন বিভাগের বক্তব্য নিতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

খবর : সাপ্তাহিক দেশ