মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



বিশ্বনাথে ইতিহাস গড়লেন মুহিব



বিজ্ঞাপন

লাতু ডেস্ক:: সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন মুহিবুর রহমান। বুধবার (২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচেন তিনি জগ প্রতীকে ৮ হাজার ৪৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৬৩ ভোট।

আওয়ামী লীগ নেতা মুহিব বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।

নির্বাচনে ৩ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন যুক্তরাজ্যের নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) মুমিন খান মুন্না এবং ৩ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির বহিস্কৃত সভাপতি জালাল উদ্দিন।

মেয়র পদে মুহিবুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান ও রিটানিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। তারা জানান, নিরপেক্ষ নির্বাচনে জগ প্রতীকের প্রার্থী মুহিবুর রহমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

এর আগে ১৯৮৫ সালে ও ২০০৯ সালে বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মুহিব।

মুহিবুর রহমান বলেন, এ বিজয় বিশ্বনাথ পৌরবাসীর বিজয়। আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় বিশ্বনাথ পৌরসভার সর্বস্তরের নাগরিককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ বিশ্বনাথ পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

এছাড়াও পৌর নির্বাচনে নির্বাচনে ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছন সাবিনা ইয়াসমিন (চশমা); ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে নারী কাউন্সিলর পদে রাসনা বেগম (আনারস) এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে বিজয়ী হয়েছেন লাকী বেগম (আনারস)।

আর কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ডে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক মেম্বার রাজুক মিয়া রাজ্জাক (উটপাখি), ২ নং ওয়ার্ডে সাবেক মেম্বার ফজর আলী (স্ক্রু ড্রাইভার), ৩ নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ সুমন (উটপাখি), ৪ নং ওয়ার্ডে মুহিবুর রহমান বাচ্চু (পাঞ্জাবি), ৫ নং ওয়ার্ডে সাবেক মেম্বার রফিক হাসান (উটপাখি), ৬ নং ওয়ার্ডে বারাম উদ্দিন (ডালিম), ৭ নং ওয়ার্ডে সাবেক মেম্বার জহুর আলী (পাঞ্জাবি), ৯ নং ওয়ার্ডে সাবেক মেম্বার শামীম আহমদ (পানির বোতল)। আর ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদের নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ওই ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়নি।