শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



বড়লেখায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে মশার উপদ্রব ঠেকাতে পৌর মেয়রের উদ্যোগে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন



বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:: মৌলভীবাজারের বড়লেখার অর্ধশতাধিক বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ যখন মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ ঠিক তখনই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী। পৌরসভার পক্ষ থেকে তিনি উপজেলার ৫২টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের মশক নিধনে ওষুধ প্রয়োগের উদ্যোগ নিয়েছেন। সোমবার (২৭ জুন) সকালে সুজানগর ইউনিয়নের ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী।

এসময় পৌর মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর হুমায়ুন কবীর, পৌর কাউন্সিলর আব্দুল হাফিজ ললন, সুজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল ইসলাম লাল, ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাহেদুল মজিদ নিকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিন বিকেল পর্যন্ত উপজেলার ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয়, আজিমগঞ্জ সরকারি প্রাইমারি স্কুল, টেকাহালি উচ্চ বিদ্যায়, কানসাই উচ্চ বিদ্যালয়, হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়সহ ১০ আশ্রয়কেন্দ্রে মশার ওষুধ প্রয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভারিবর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার হাকালুকি হাওড়পারের বর্ণি, সুজানগর, তালিমপুর, দাসেরবাজার ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের প্রায় শতভাগ এলাকা এবং বড়লেখা সদর, দক্ষিণভাগ দক্ষিণ, দক্ষিণভাগ উত্তর, উত্তর শাহবাজপুর ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের আংশিক এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। এতে দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। বন্যাদুর্গদের জন্য খোলা হয় ৫২টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে থাকা মানুষজন প্রায় ১০দিন ধরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এর মধ্যে মশার উপদ্রবে অসহায় মানুষজন অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন।

পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী বলেন, মশার ওষুধ পৌর এলাকার বাইরে প্রয়োগের নিয়ম না থাকলেও আশ্রয়কেন্দ্রের বানভাসি মানুষকে মশা বাহিত রোগ জীবানুর কবল থেকে রক্ষা করতে তিনি উন্নতমানের মশার ওষুধ ছিটানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। যাতে একবার ছিটালো অন্তত ৮-১০দিন মশার উপদ্রব না থাকে। সোমবার এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। আজকে ১০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে ওষুধ প্রয়োগ সম্পন্ন করেছেন। বাকিগুলোতেও প্রয়োগ করবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী বলেন, বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মশার উপদ্রব এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় পৌরসভার মেয়র মশা নিধনের উদ্যোগ নিয়েছেন। যা নি:সন্দেহে প্রশংসনীয়।