বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



ব্রিটেনে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭০ জনের মৃত্যু
খবর: ডেইলি মেইল, এসসিএমপি

খবর: ডেইলি মেইল, এসসিএমপি



বিজ্ঞাপন

নতুন করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ব্রিটেনে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে দেশটিতে করোনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৩৮ জনে। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


এতে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস ইংল্যান্ড ৭৪০ জনের প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছে। যাদের প্রত্যেকের বয়স ২৮ থেকে ১০৩ বছরের মধ্যে। মৃতদের মধ্যে ৪০ জনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আগে কোনো ধরনের শারীরিক অসুস্থতা ছিল না।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে করোনায় মারা গেছেন আরও ১৩০ জন; যা বুধবারের চেয়ে কিছু বেশি। এর মধ্যে ৮০ জন স্কটল্যান্ড, ৩২ জন ওয়েলস এবং ১৮ জন নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের বাসিন্দা।

যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৯৩ জন এবং মারা গেছেন ১৩ হাজার ৭৩৮ জন। দেশটির প্রিন্স চার্লস, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশটিতে লকডাউন জারি করা হয়েছে। ব্রিটেনের মহামারি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ কাড়তে পারে করোনা।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে বিশ্বের শত শত দেশে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দেশে দেশে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনসমাগম, ব্যবসা-বাণিজ্য, হোটেল-রেস্তারাঁ।

করোনা মহামারির কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মারা গেছেন এক লাখ ৩৬ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা ২১ লাখের কাছাকাছি।


চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এই ভাইরাসের উৎপত্তি হওয়ার পর বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে ছড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাস লাখো মানুষের প্রাণ কাড়লেও চীনে মারা গেছেন তিন হাজার ৩৪২ জন।

চীন এই ভাইরাস মাত্র ৭৯ দিনে নিয়ন্ত্রণে আনার পর গত মঙ্গলবার উহান থেকে লকডাউন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। সেখানে স্বাভাবিক জীবন ও কর্মচাঞ্চল্য শুরু হলেও বিশ্ব এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অবরুদ্ধ দশায় রয়েছে।