শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’, সতর্কতা সংকেত
নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক



বিজ্ঞাপন

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ঘুর্ণিঝড় রূপ নিয়েছে। ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে খুলনা ও সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘুর্ণিঝড় ‘তিতলি’। আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাই্টে এ তথ্য জানানো হয়। এ ব্যাপারে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলকে ২ নাম্বার সতর্কতা সংকেত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানানো হয়েছে, ‘পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও সামান্য পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’-তে পরিণত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপ হচ্ছে একটি ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চল, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ৫১ থেকে ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে। কোনো ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চলে বাতাসের গতিবেগ ৬১ থেকে ৮৮ কিলোমিটারের মধ্যে হলে তাকে বলে ঘূর্ণিঝড়।

ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ বাংলাদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে কি না- জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি এখনও অনেক দূরে, কক্সবাজার থেকে ৯০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে এটি। সাগরের মধ্যে যখন একটি ঘূর্ণিঝড় মুভমেন্ট করে তখন এর গতিপথ অনেক সময় পরিবর্তন হয়ে যায়।

ভারতীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, পূর্ব-মধ্য ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

পরের ৭২ ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম ভাগে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে ভারতীয় আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলে তার নাম দেয়া হয় দেয়ি। ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করে দুর্বল হয়ে পড়া সেই ঝড়ের তেমন কোনো প্রভাব বাংলাদেশে পড়েনি।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুশিঁয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।