শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হতে পারে আজই
খেলাধুলা ডেস্ক

খেলাধুলা ডেস্ক



বিজ্ঞাপন

এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে ১৩৭ উড়িয়ে দারুণ শুরু করেছে বাংলাদেশ। ২ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপে শীর্ষে এখন টাইগাররা। এই গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ লড়াইয়ে নামবে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান। প্রথম ম্যাচ বাজেভাবে হারায় লঙ্কানদের আজ টিকে থাকার লড়াই। হারলেই শেষ হয়ে যাবে লঙ্কানদের স্বপ্ন। আর শ্রীলঙ্কা হারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই এশিয়া কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা নিশ্চিত হয়ে যাবে বাংলাদেশের। এতে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হবে আফগানিস্তানেরও। সেই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই।

মূলত টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীমের দারুণ লড়াইয়ে প্রথম ম্যাচে জিতে দারুণ অবস্থানে বাংলাদেশ। নিজের ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি পেয়েছেন টাইগারদের ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ মুশফিক। ১৪৪ রানের ইনিংসটি তার ক্যারিয়ার সেরা। এর আগে ২০১৪ সালে দেশের মাটিতে ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ১১৭ রানের ইনিংস। এতদিন সেটিই ছিল তার ব্যাট থেকে আসা সেরা ইনিংস।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে মুশফিক বলেন, ‘এটাই সেরা কি না? সম্ভবত। এখানে খুব গরম ছিল, প্রতিটা বলে মনোযোগ ধরে রাখা খুব কঠিন ছিল। দৌড়ে দুই-তিন রান নেয়া কঠিন ছিল। আমি মনে করি, এখন পর্যন্ত এটা (সেরা)। তবে সামনে এমন আরো অনেক ইনিংস আসবে।’

মুশফিক নিজে সেরা বলতে একটু দ্বিধা করলেও টাইগার ক্রিকেটের ভক্তরা খুব ভালো করেই জানেন এমন ইনিংস কত প্রয়োজন দলের। দিনের শুরুতেই ১ রানে ২ উইকেট হারিয়েছিল দল। সেখানে ওপেনার লিটন দাস ছাড়াও ছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ও দলের সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সেখানে ধাক্কার শেষ নয়, পরের ওভারেই তামিম ইনজুরি আক্রান্ত হয়ে মাঠ ছাড়েন। যদিও শেষ মুহূর্তে হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে মাঠে নেমে সবাইকে অবাক করেছিলেন তামিম। কিন্তু শুরুর বিপর্যয় থেকে শেষ পর্যন্ত লড়েছেন মুশফিক। মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে এশিয়া কাপে ৫ম সর্বোচ্চ ১৩১ রানের জুটি গড়েন। তাতে চাপ সামলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় দল। এরপর মিঠুন ৬৩ রানে আউট হলে ফের বিপদে পড়ে দল। হাল ধরতে এসে ফিরে যান মাহমুদুল্লাহ ও মোসাদ্দেকের মতো স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের পালে হাওয়া দিয়ে যান মুশফিকই। চাপ কাটানোর জন্য তিনি ধন্যবাদ দেন মিঠুনকেও। সেই সঙ্গে জানান সেই সময় তার লড়াইয়ের কৌশলও। মুশফিক বলেন, ‘আমি জানতাম, ১১ থেকে ৪০ ওভারে যখন সীমানায় চারজন ফিল্ডার থাকবে, তখন বাউন্ডারি হাঁকানো সহজ হবে। আমি সে সময়ে সুযোগগুলো নিয়েছি, সেগুলো কাজেও লেগেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা যদিও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছি কিন্তু নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আমি হতাশ ছিলাম। আমি খুব ভালো টাইমিং করতে পারলেও ভালো শুরু গুলোকে বড় করতে পারছিলাম না। বড় রান করার জন্য আমি এই টুর্নামেন্টকে লক্ষ্য করেছিলাম। দলের জন্য সেটা করতে পেরে আমি খুশি।’