শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



ওপেনিংয়ে ‘মেহেদী’ চমক
খেলাধুলা ডেস্ক

খেলাধুলা ডেস্ক



বিজ্ঞাপন

এশিয়া কাপে চরম ব্যর্থ বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। আগের ৫ ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১৬ রান! লিটন-তামিম, লিটন-নাজমুল, লিটন-সৌম্য, ঘুরিয়ে ফিরিয়েও লাভ হয়নি কোনো। আজকের ফাইনালের আগে তাই অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাই আভাস দিয়েছিলেন, ওপেনিং জুটিতে ‘চমক’ দেখানোর। সেই চমকটা যে এতো বড় চমক হয়ে আসবে, এটা তখন কল্পনাও করা যায়নি। শক্তিধর ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে বাংলাদেশ কিনা ওপেনিংয়ে নামিয়ে দিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজকে।

হ্যাঁ, সত্যিই তাই। ওপেনিংয়ে লিটন দাসকে ঠিক রাখা হয়েছে। তার সঙ্গী হিসেবে ইনিংস ওপেন করতে নেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আগের ম্যাচটাতে লিটনের সঙ্গে ওপেন করেছিলেন সৌম্য সরকার। কিন্তু তিনি শুন্য রানেই ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। আজ তাই তাকে সরিয়ে মেহেদীকে নিয়ে জুয়াটা খেলেছে বাংলাদেশ।

সবাইকে চমকে দেওয়া এই জুয়ায় এখনো পর্যন্ত অনেকটা সফলও বাংলাদেশ। এরই মধ্যে লিটন-মেহেদী গড়ে ফেলেছেন টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ১৭ ওভারেই লিটন-মেহেদী তুলেছেন ৯৭ রান। লিটন ৬৯ ও মেহেদী মিরাজ ব্যাট করছেন ২৬ রানে।

টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি-আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এর আগে কখনোই ওপেনিং করেননি মেহেদী মিরাজ। ওপেনিং দূরের কথা, ১৬ ওয়ানডের ১০টিতে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে মেহেদী সর্বোচ্চ একবার ব্যাটিং করেছেন ৬ নম্বরে। বাকি সব ম্যাচেই নেমেছেন ৮-৯ নম্বরে। টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টিতেও ৮-৯ নম্বরেই খেলেন তিনি।

সেই মেহেদীকে জুয়াটা বাংলাদেশ খেলল ফাইনালে! এখনো পর্যন্ত যতটুকু সফল তাতে, টিমম্যানেজমেন্ট একটু হলেও বাহবা পাবেই। বাহবা পাবেন মাশরাফিও। চমকের ইঙ্গিতটা তো দিয়েছিলেন তিনিই।

উল্লেখ্য, দুবাইয়ের ফাইনালে টস জিতে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন প্রথমে।

বাংলাদেশ দল : লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহীম (উইকেটরক্ষক), ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম, রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

ভারত দল : রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শেখর ধাওয়ান, আম্বাতি রাইডু, দিনেশ কার্তিক, মহেন্দ্র সিং ধোনি (উইকেটরক্ষক), কেদার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদীপ যাদব, ইউজভেন্দ্রা চাহাল ও জাসপ্রিত ‍বুমরাহ।