বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ



পর্যটকদের পদচারণায় মুখর ছিল লাউয়াছড়া



বিজ্ঞাপন

সাইফুল্লাহ হাসান :: টানা তিন দিনের ছুটি পেয়ে দূর-দূরান্তের পর্যটকদের পদচারণায় মুখোর ছিল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। ছুটির সময়টা আনন্দ-বিনোদনে কাটাতে ৬ হাজার ২০৯ জন পর্যটকের আগমন ঘটে।

এদিকে টানা তিন দিনের প্রভাব পড়েছিল ট্রেন ও বাসের টিকেট ও হোটেল রিসোর্টে।

রোববার মহান ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ছুটির সাথে আগের শুক্র ও শনিবারের ছুটি মিলিয়ে তিন দিনে সরকারি ছুটি ছিল।

এ ছুটি কাটাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন সপরিবারে ও বন্ধু বান্ধব মিলে বেড়াতে আসেন কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক ও চায়ের রাজধানী খ্যাত শ্রীমঙ্গলের কয়েকটি পর্যটন এলাকায়। এর মাঝে বড় একটি অংশ আসেন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবপুর লেকে।


সোমবার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবারে এ উদ্যানে আসেন ১ হাজার ৭০০ জন পর্যটক। তাদের প্রবেশ মূল্য ও গাড়ি পার্কিং থেকে রাজস্ব আয় হয় ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা। শনিবার পর্যটক আসেন ২ হাজার ৬ জন। তাদের প্রবেশ মূল্য ও গাড়ি পার্কিং থেকে রাজস্ব আয় আসে ৯৪ হাজার ৬০০ টাকা। আর রোববার পর্যটক আসে ২ হাজার ৫০৩ জন। তাদের প্রবেশ মূল্য ও গাড়ি পার্কিং থেকে রাজস্ব আয় আসে ১ লাখ ১৩ হাজার ৬০০ টাকা। সব মিলিয়ে তিন দিনে রাজস্ব আয় আসে ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

এদিকে টানা তিন দিনের ছুটি পেয়ে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের পর্যটন এলাকায় পর্যটকদের চাপ বেড়ে গেলে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের হোটেল, গেস্ট হাউজ ও রিসোর্টের ওপর প্রভাব পড়েছিল। কোন হোটেল, গেস্ট হাউজ ও রিসোর্ট খালি ছিল না।

শ্রীমঙ্গল সদরের গ্রীন ভিউ গেস্ট হাউজের মালিক এস কে সুমন জানান, তিন দিনে তাদের কোন কক্ষ খালি ছিল না। পর্যটকদের চাহিদা থাকলেও তারা চাহিদা পূরণ করতে পারেননি।

কমলগঞ্জের শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সেলিম হোসেন বলেন, টানা ছুটি পেয়ে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। পর্যটকদের ট্রেনের টিকেটের চাহিদা থাকলেও কোন আন্তঃনগর ট্রেনে আসন খালি না থাকায় পর্যটকদের টিকেট দিতে পারেননি। ফলে এ চাপটি গিয়ে পড়ে আন্তঃজেলা বাসের ওপর।