রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ



আজ সৈয়দ মহসিন আলীর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক




সাবেক সমাজকল্যাণম্ত্রী ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযােদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলীর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে আজ সােমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সৈয়দ শাহ মােস্তফা (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে মরহুমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পরিবারে সদস্যরা এবং আওয়ামী লীগ ও সহযােগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে আলােচনা সভা, মরহুমের বাসভবনে কোরআন তেলাওয়াত, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও শিরনি বিতরণের আয়ােজন করেছে মহসিন আলী ফাউন্ডেশন। সৈয়দ মহসিন আলী ১৯৪৮ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।

ছাত্রলীগের একজন সদস্য হিসেবে মহসিন আলী ছাত্রজীবনেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৭১ সালে ২৩ বছর বয়সে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি ১৯৭৬- ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত মহকুমা জেলা রেডক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সৈয়দ মহসিন আলী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে করেছেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মৌলভীবাজার তিনি আওয়ামী লীগের মনােনয়নে সাবেক চেম্বারের সভাপতি এবং একাডেমির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন নির্বাচিত হন।


১৯৯৮-২০০৫ পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ মহসিন আলী। ২০০৮ সালের ২৯ জেলা শিল্পকলা অর্থমন্ত্রী বিএনপির প্রার্থী এম সাইফুর রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্ধন্ধিতা করে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সৈয়দ মহসিন আলী আজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব সৈয়দ মহসিন আলী ২০১৪ সালের দশম জাতীয় পালন করেন। তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে পর পর ৩ বার মৌলভীবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালে স্থানীয় সরকারের আওতায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নেন। থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইনে পরিবার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরিকল্পনা এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি। তিনি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা ১৯৯২ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে শ্রেষ্ঠ পৌর চেয়ারম্যান সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর একই বছরের ১২ জানুয়ারি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সমাজকল্যাণমন্ত্রী তিনি ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সিঙ্গোপুরের যান। তাঁর মৃত্যুতে মৌলভীবাজার জেলায় শােকের ছায়া নেমে আসে।