মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ




শাবিতে জালিয়াতি করে পাস, ভর্তি হতে গিয়ে ধরা ৫ শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক




শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ১ম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি হতে এসে আটক হয়েছেন পাঁচ শিক্ষার্থী। পাশাপাশি জালিয়াতিতে তাদের সহযোগিতা করায় শাবির এক শিক্ষার্থীকেও আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ।


আটকরা হলেন- বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের সাকীদুল ইসলাম শাকিল (মেধাক্রম ৬৫৮), রহিমাবাদ এলাকার আবিদ মোর্শেদ, সদর উপজেলার বৃন্দাবনপাড়া ওয়ার্ডের আরিফ খান রাফি (মেধাক্রম ৭০২), বগুড়া সদরের কলেজ বটতলা এলাকার জাহিদ হাসান তামিম (মেধাক্রম ৬৪১) ও রংপুরের পীরগাছা উপজেলার রিয়াদুল জান্নাত রিয়াদ (মেধাক্রম ৬৬১)। তাদের জলিয়াতিতে সহযোগিতা করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম কৌশিককেও আটক করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ জানান, মঙ্গলবার ‘বি-১’ ইউনিটের বিজ্ঞান শাখায় ভর্তি হতে আসলে তাদের দেখে সন্দেহ হয়। এ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জালিয়াতিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। আটক ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নগরীর জালালাবাদ থানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদে বলেন, আটক শিক্ষার্থীদের একই চক্রের সদস্য বলে মনে হচ্ছে। তারা সবাই একই এলাকার। বগুড়া কেন্দ্রিক একটি চক্রের সঙ্গে ৫/৭ লাখ টাকায় চুক্তি করে তারা জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রশ্নপত্রের সেট কোডে ওভার রাইটিং করে সকলেই ৭৫ নম্বর সেট কোডের প্রশ্নপত্র মোতাবেক বৃত্ত ভরাট করেছিল। ভর্তি পরীক্ষায় সকলের প্রাপ্ত নম্বরও কাছাকাছি। আশা করছি তদন্তের মাধ্যমে সব বেরিয়ে আসবে।

তিনি জানান, এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীও রয়েছে। আমরা ধারণা করছি সেও জালিয়াতির মাধ্যমেই ভর্তি হয়েছিল।


এর আগে গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসে জালিয়াতির চেষ্টাকালে আটক হয়েছিলেন আরও ৫ শিক্ষার্থী। তারা হলেন- বগুড়ার আহসান আলী, ইব্রাহিম খলিল জীবন, মাহমুদুল হাসান, সাদ মো. শাহেল এবং ময়মনসিংহের মোহাইমিনুল ইসলাম খান। তারাও ৭৫ নম্বর সেট কোডের প্রশ্নপত্রের উত্তর করেছিল বলে জানা গেছে।

error: Content is protected !!