বুধবার, ২২ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ




স্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম সুন্দরের






এ.জে লাভলু:: ২০১৪ সালে রফিকুল ইসলাম সুন্দরের নিজের নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি ছিল না। তবে গত ৫ বছরের ব্যবধানে সুন্দরের স্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে। এবারের হলফনামায় তিনি নিজের নামে ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছেন। ২০১৪ ও ২০১৯ সালের হলফনামা পর্যালাচোনা করে এমন তথ্যই জানা গেছে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর। এবার দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তিনি। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

এবারের হলফনামায় সুন্দরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর শিক্ষাগতযোগত্য এমএমএস। সাম্য এন্টারপ্রাইজ নামে তাঁর একটি চালের আড়ৎ রয়েছে। ব্যবসা ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে প্রাপ্ত সম্মানী থেকে বছরে তাঁর আয় হয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তাঁর নিজের কাছে নগদ কোনো টাকা নেই। কৃষিখাত থেকে তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের আয় ১৫ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে তাঁর নিজের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১ লাখ টাকা। তাঁর নামে ২৮ লাখ টাকা মূল্যের কয়েকটি যানবাহন রয়েছে। বেসরকারী চাকরি থেকে বছরে তাঁর স্ত্রীর আয় ৫০ হাজার টাকা এবং ভাই ও ভাতিজাদের ব্যবসা ও প্রবাসী থেকে বছরে আয় ১২ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ এবং বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র রয়েছে, এগুলোর আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে সুন্দর হলফনামায় নিজের নামে ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি ও অকৃষি জমি এবং বাড়ি (এপার্টমেন্ট) কথা উল্লেখ করেছেন। যদিও জমির পরিমাণ তিনি উল্লেখ করেননি। তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের নামে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি ও অকৃষি জমি এবং বাড়ি (এপার্টমেন্ট) রয়েছে। যৌথ মালিকানায় ৯৮৮ শতক কৃষি ও ১৭৫ শতক অকৃষি এবং ৮ কক্ষ বিশিষ্ট একটি পাকা বাড়ি ও ৮ কক্ষ বিশিষ্ট একটি আধাপাকা বাড়ি রয়েছে। এছাড়া দু’টি ব্যাংকে রফিকুল ইসলাম সুন্দরের ৪৯ লাখ ১১ হাজার টাকা দেনা রয়েছে।

২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীর হলফনামায় সুন্দর উল্লেখ করেছিলেন, ব্যবসা থেকে তাঁর বছরে আয় হয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কৃষিখাত থেকে তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের আয় ১৫ হাজার টাকা। বেসরকারী চাকরি থেকে বছরে তাঁর স্ত্রীর আয় ৫০ হাজার টাকা এবং প্রবাসী ভাই ও ভাতিজাদের বছরে আয় ৮ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে তাঁর কাছে নগদ ২০ হাজার টাকা রয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১ লাখ টাকা। তাঁর নামে একটি ট্রাক ও একটি মোটরসাইকেল (৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা) রয়েছে। স্ত্রীর নামে ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ এবং বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র রয়েছে। তবে তাঁর নিজের নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই।




error: Content is protected !!