বুধবার, ২২ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ




উপজেলা পরিষদের নির্বাচন: সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগ ৫, বিদ্রোহী ৩ ও স্বতন্ত্র ১

নিউজ ডেস্ক






উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে সুনামগঞ্জের ৯টি উপজেলায় মধ্যে ৫টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী, ৩টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। তবে সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলায় এ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খায়রুল হুদা চপল। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মনিষ কান্তি দে মিন্টু (ঘোড়া প্রতীক)।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে ২৩ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সফর আলী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশীদ।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি) ফারুক আহমদ। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম ছিলেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী।

তাহিরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী করুনা সিন্ধু বাবুল জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিসুল হক।

ছাতক উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. ফজলুর রহমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল।

দোয়ারাবাজার উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন ডা. মো. আব্দুর রহিম। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দেওয়ান তানভীর আশরাফী চৌধুরী বাবু।

দিরাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী। তাঁর নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রদীপ রায়।

শাল্লা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস পেয়েছেন।

ধর্মপাশা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোজাম্মেল হোসেন রোখন । তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শামীম আহমদ মুরাদ।

এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্রের ব্যানারে বিএনপি প্রার্থীসহ ২৮ জন চেয়ারম্যান প্রাথী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।




error: Content is protected !!